ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন বা সরকার পতন নিয়ে আগের চেয়ে কিছুটা নরম সুরে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজ রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক হামলার মুখে ইরানের সাধারণ মানুষ একসময় তাদের সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে পারে।
ট্রাম্পের মতে, ইরানি জনগণ বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার সক্ষমতা রাখে। তবে তিনি এটিও স্পষ্ট করেছেন যে, এই পরিবর্তন হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে বা খুব দ্রুত ঘটবে না। বিষয়টি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দীর্ঘমেয়াদী চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত বর্তমান ইরান সরকারের পতন ঘটবে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি তার এই ধারণার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
এখন পর্যন্ত ইরানের অভ্যন্তরে শাসনব্যবস্থা পতনের মতো বড় কোনো বিক্ষোভ বা উল্লেখযোগ্য ফাটল দেখা যায়নি। এমনকি শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা বা টানা বিমান আক্রমণের পরেও ইরান সরকার পিছু হটেনি। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সাথে কোনো ধরনের আলোচনায় বসার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে তেহরান।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির নেতৃত্বাধীন বর্তমান প্রশাসন এখন পর্যন্ত তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই কৌশলগত চাপ শেষ পর্যন্ত ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে।







