ইরানে অবৈধভাবে আনা শত শত স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ডিভাইস জব্দ করেছে দেশটির গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, “শত্রুপক্ষ” কর্তৃক প্রেরিত এই সরঞ্জামগুলো রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য এক বিশাল হুমকি।
ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, এই ঘটনার পেছনে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। গোয়েন্দা বিভাগের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইরানে স্টারলিংক ডিভাইসের সংগ্রহ, মজুত এবং ব্যবহার একটি অত্যন্ত গুরুতর ও দণ্ডনীয় অপরাধ।
আইনি কঠোরতার বিষয়ে সতর্ক করে বলা হয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে এর সর্বোচ্চ শাস্তি দুই বছরের কারাদণ্ড হলেও, বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এই নিয়ম ভঙ্গকারীদের ‘সর্বোচ্চ শাস্তির’ মুখোমুখি হতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে এমন কড়া হুঁশিয়ারি সাধারণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
দেশটিতে চলমান ইন্টারনেট বিভ্রাটের কারণে সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগ করা যখন দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে, ঠিক তখন প্রযুক্তি সচেতন নাগরিকরা গোপনে এই স্টারলিংক ব্যবহার করছিলেন। বিশেষ করে স্পেসএক্সের এই ডিভাইসগুলোর মাধ্যমে একে অপরের সাথে ইন্টারনেট সংযোগ শেয়ার করে তারা জরুরি তথ্য আদান-প্রদান করছিলেন।
তবে সরকারের এই সাম্প্রতিক সাঁড়াশি অভিযানের ফলে এখন সেই বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থাও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ল। গোয়েন্দা বাহিনী জানিয়েছে, স্টারলিংক ব্যবহারকারীদের শনাক্ত করতে তারা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করছে এবং সারা দেশে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।







