ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী সার সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বাজার সুরক্ষায় সার রপ্তানি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন, যা বৈশ্বিক বাজারে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা Reuters-কে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মার্চের মাঝামাঝি সময়ে বেইজিং নাইট্রোজেন-পটাশিয়াম সার মিশ্রণ এবং কিছু ফসফেটজাতীয় সার রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরিয়ার ওপর আগে থেকেই থাকা নিষেধাজ্ঞা ও রপ্তানি কোটার পাশাপাশি বর্তমানে চীন থেকে খুব সীমিত পরিসরে সার রপ্তানি হচ্ছে—বিশেষ করে অ্যামোনিয়াম সালফেট। ফলে গত বছরের তুলনায় দেশটির সার রপ্তানি অর্ধেক থেকে তিন-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে, যা প্রায় ৪০ মিলিয়ন মেট্রিক টনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সার রপ্তানিকারক দেশ China গত বছর ১৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের সার রপ্তানি করেছিল।
এদিকে, গুরুত্বপূর্ণ জলপথ Strait of Hormuz দিয়ে সার পরিবহন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এই প্রণালির মাধ্যমে বৈশ্বিক সারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পরিবহন হয়ে থাকে।
বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান BMI-এর জ্যেষ্ঠ পণ্য বিশ্লেষক Matthew Bigham বলেন, বৈশ্বিক সংকটের সময় চীন সাধারণত সরবরাহ বাড়ানোর বদলে সীমিত করে। তাদের প্রধান লক্ষ্য থাকে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারকে দামের ধাক্কা থেকে রক্ষা করা।







