বগুড়ার ধুনট উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে তৃতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামী আব্দুর রহিমকে (৬৫) অণ্ডকোষ চেপে ধরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের ধামাচামা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুর রহিম ওই গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীন প্রামানিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেশায় কৃষক আব্দুর রহিম গত ৬ বছর আগে বিউটি খাতুনকে (৪০) বিয়ে করেন। বিউটি তার তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। রোববার সকালে সময়মতো ভাত রান্না না করাকে কেন্দ্র করে আব্দুর রহিম তার স্ত্রীকে মারধর করেন।
অভিযোগ উঠেছে, মারধরের সময় ক্ষুব্ধ হয়ে বিউটি খাতুন স্বামীর অণ্ডকোষ সজোরে চেপে ধরেন। এতে ঘটনাস্থলেই আব্দুর রহিমের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর নিহতের স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে বিউটি খাতুনকে ঘরের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন চালায়।
সংবাদ পেয়ে বিকেল ৩টার দিকে ধুনট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের প্রথম স্ত্রীর মেয়ে রোজিনা খাতুন দাবি করেছেন, বিউটি খাতুন এর আগেও তার বাবাকে একইভাবে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তবে অভিযুক্ত বিউটি খাতুন হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তাকে মারধর করার সময় আব্দুর রহিম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তাকে আটক করেছে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
