পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি অনুযায়ী, রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে গোপন আলোচনার পর মস্কো তেহরানে ড্রোন, ওষুধ এবং খাদ্যসামগ্রীর ধাপভিত্তিক সরবরাহ সম্পন্ন করার কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছে। সম্প্রতি তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর দুই দেশের মধ্যে এই বিশেষ বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (FT) প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বর্তমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটিই ইরানের প্রতি রাশিয়ার প্রথম কোনো সরাসরি সামরিক বা প্রাণঘাতী সহায়তা প্রদানের ঘটনা। এর আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতা থাকলেও, সরাসরি ড্রোন সরবরাহের মতো পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এই গোপন সরবরাহের বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যে বলা হচ্ছে, রাশিয়া কেবল সামরিক সরঞ্জামই নয়, বরং ইরানের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে বড় আকারের মানবিক ও চিকিৎসাসামগ্রীও পাঠাচ্ছে। এটি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে দেশ দুটির মধ্যকার সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরণের সামরিক সহযোগিতা ওই অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে এবং ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন এই সরবরাহের গতিবিধি এবং এর ফলে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কী ধরণের পরিবর্তন আসতে পারে, সেদিকে কড়া নজর রাখছে।







