গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হওয়ায় এবং বিভিন্ন দলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমত থাকায় জনগণের মতামত যাচাইয়ে গণভোট আয়োজন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মূলত যেসব ইস্যুতে দলগুলো একমত হতে পারেনি, সেই বিষয়ে সাধারণ মানুষ আসলে কী চায় তা জানতেই এই আয়োজন।
সারোয়ার তুষার জানান, দলগুলো যদি কেবল ভিন্নমতসহ স্বাক্ষর করে দিত, তবে আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসত তারা তাদের দলীয় ইশতেহার অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করত। কিন্তু কিছু বিষয়ে ঐকমত্য না আসায় সব দল একপর্যায়ে জনগণের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্তে সম্মত হয়। যেহেতু এখন গণভোটে জনগণ তাদের মতামত দিয়ে দিয়েছে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হয়েছে, তাই এখন আর কোনো দলের ইশতেহার বা ব্যক্তিগত ভিন্নমত প্রাধান্য পাওয়ার সুযোগ নেই।
বিএনপির মতো বড় রাজনৈতিক দলের এই বিষয়টি বোঝা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নোট অব ডিসেন্ট’ মানে হলো দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও প্রক্রিয়ার সাথে একমত পোষণ করা। অর্থাৎ, নিজের ভিন্ন অবস্থান বজায় রেখেও সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার এই দ্বিমত যেন ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা তৈরি না করে, সেজন্যই গণভোটের মাধ্যমে চূড়ান্ত ফয়সালা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির এই নেতা আরও যোগ করেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের রায়ই সর্বোচ্চ। যখন কোনো বিষয়ে জনরায় চলে আসে, তখন সেটিই সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান পায়। তাই গণভোটের ফলাফলের পর কোনো বিশেষ দলের নোট অব ডিসেন্ট নিয়ে পড়ে থাকা যৌক্তিক নয় বলে তিনি মনে করেন।







