মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সেনাপ্রধান জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জানা গেছে, চলমান ইরান যুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষা সচিবের প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পারায় তার ওপর থেকে আস্থা হারিয়েছে প্রশাসন। এই বড় ধরনের রদবদলের মাধ্যমে মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের শীর্ষ পর্যায়ে আমূল পরিবর্তনের সংকেত পাওয়া যাচ্ছে।
জেনারেল র্যান্ডি জর্জের স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন জেনারেল ক্রিস্টোফার ল্যানভে। তিনি বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষা সচিব—উভয়েরই অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সামরিক কৌশল ও কমান্ডে আরও গতিশীলতা আনতেই ল্যানভেকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে প্রতিরক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
তবে শুধুমাত্র সেনাপ্রধানই নন, মার্কিন সেনাবাহিনীর আরও বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ জেনারেল ও কর্মকর্তাকে একই সঙ্গে বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন ইউএস আর্মি সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকল, ভাইস চিফ অফ আর্মি স্টাফ জেনারেল ডেভিড হোডনে এবং জেনারেল উইলিয়াম গ্রিন জুনিয়র। প্রশাসনের এমন কঠোর সিদ্ধান্তে পেন্টাগনের অন্দরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের এই সংকটময় মুহূর্তে সামরিক বাহিনীর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং অনুগত নেতৃত্ব নিশ্চিত করতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই গণ-ছাঁটাইয়ের পথ বেছে নিয়েছে। প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের এই পদক্ষেপের ফলে আগামী দিনগুলোতে মার্কিন সেনাবাহিনীর যুদ্ধনীতি ও পরিচালনা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
