পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইরানকে নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দেওয়া ১০ দফা পরিকল্পনাকে আলোচনার ভিত্তি হিসেবে মেনে নিয়েছে। এই ইতিবাচক সংকেতের পর ইরান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আমেরিকার সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী শুক্রবার, ১১ এপ্রিল থেকে এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু হবে।
বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এই আলোচনা দুই সপ্তাহব্যাপী চলবে এবং এটি শুধুমাত্র ইরানের প্রস্তাবিত নীতিগুলোর ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে। তবে ইরান কঠোরভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, এই আলোচনার অর্থ এই নয় যে যুদ্ধ এখনই শেষ হয়ে গেছে। তাদের মতে, ১০ দফা পরিকল্পনার প্রতিটি বিস্তারিত বিষয় চূড়ান্তভাবে আলোচনার টেবিলে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরান যুদ্ধ বিরতির বিষয়টি মেনে নেবে না।
ইরান আরও উল্লেখ করেছে যে, আমেরিকার ওপর তাদের বিন্দুমাত্র আস্থা নেই। জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল দেশের জনগণ, বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যাতে এই স্পর্শকাতর সময়ে কোনো বিভেদ তৈরি না হয়। বিপ্লবী নেতাদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই প্রক্রিয়া চলছে বিধায় সবাইকে আলোচনার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে শেষ পর্যায়ে বলা হয়েছে, যদি এই আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক বিজয় অর্জিত হয়, তবে পুরো জাতি তা উদযাপন করবে। অন্যথায়, ইরানি জাতির সব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ময়দানে লড়াই অব্যাহত থাকবে। ইরান চরম সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, তাদের ‘হাত এখনো ট্রিগারে আছে’ এবং শত্রু পক্ষ সামান্যতম কোনো ভুল করলে পূর্ণ শক্তিতে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।







