রান্নাঘরের অন্যতম জনপ্রিয় যন্ত্রে পরিণত হয়েছে ‘এয়ার ফ্রায়ার’। ডুবো তেলে ভাজার বিকল্প হিসেবে অনেকেই এটিকে বেছে নিচ্ছেন। এতে নামমাত্র তেলে খাবার মুচমুচে হয় বলে স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে এর কদর বাড়ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল যন্ত্রের ওপর নির্ভর না করে আমরা কী ধরনের খাবার রান্না করছি, তার ওপরই প্রকৃত স্বাস্থ্যগুণ নির্ভর করে।
এয়ার ফ্রায়ারের প্রধান সুবিধা হলো এটি তেলের ব্যবহার বহুগুণ কমিয়ে দেয়। যাদের শরীরে মেদ বেশি কিংবা কোলেস্টেরল ও লিভারের সমস্যা রয়েছে, চিকিৎসকরা তাদের মেপে তেল খাওয়ার পরামর্শ দেন। এক্ষেত্রে এয়ার ফ্রায়ার একটি আদর্শ সমাধান। এছাড়া তেল-মসলা কম লাগায় এই খাবার সহজে হজম হয় এবং রান্নার সময়ও বাঁচে।
সুবিধার পাশাপাশি এর কিছু অসুবিধাও রয়েছে। এয়ার ফ্রায়ারের অতিরিক্ত তাপে খাবারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এছাড়া যন্ত্রের আকার অনুযায়ী এতে একবারে বেশি মানুষের রান্না করা কঠিন। অনেকে আবার দাবি করেন, ডুবো তেলে ভাজা খাবারের মতো আসল স্বাদ এতে পাওয়া যায় না।
পুষ্টিবিদদের মতে, শুধু এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করলেই খাবার স্বাস্থ্যকর হয়ে যায় না। যদি প্যাকেটজাত হিমায়িত খাবার বা নাগেটস এতে রান্না করা হয়, তবে তার ভেতরে থাকা সোডিয়াম ও প্রিজারভেটিভ শরীরেই প্রবেশ করে। তাই সুস্থ থাকতে কেবল আধুনিক যন্ত্র নয়, বরং রান্নার সঠিক উপকরণ নির্বাচন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।







