নোয়াখালীর সদর উপজেলায় চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ আবদুল হাইকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি যুবদল নেতা মো. লিটন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত লিটন চৌধুরী নোয়ান্নই ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব ছিলেন। তবে এই বর্বরোচিত ঘটনার পর এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একই দিন সকালে তাঁকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে জেলা যুবদল। গত মঙ্গলবার জমিতে নির্মাণকাজ চলাকালে লিটন ও তাঁর সহযোগীরা ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ আবদুল হাইকে মারধর করে পোলের ওপর থেকে খালে ফেলে দেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় আবদুল হাইকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গত বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। হামলায় তাঁর দুই ছেলেও আহত হয়েছিলেন। জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও সাড়ে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে এই নৃশংস হামলা চালানো হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. সুমন বাদী হয়ে লিটন চৌধুরীসহ ৬ জনকে আসামি করে সুধারাম মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের পর এখন বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।







