৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে দিবসটি উপলক্ষে এদিন সারা দেশে সরকারি ছুটি থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি আগে পালিত হতো, যা এখন পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ওই সময়ে দেশের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতার এক ঐতিহাসিক বিপ্লব ঘটেছিল, যা তৎকালীন রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে একের পর এক অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে যখন চরম নৈরাজ্য চলছিল, তখন এই বিপ্লব জাতিকে একটি শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিয়েছিল। এই আন্দোলনের মাধ্যমেই তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন।
বিএনপিসহ সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকে গুরুত্বের সাথে পালন করে আসছে। বিএনপি সরকারের আমলে এই দিনে সরকারি ছুটি বহাল থাকলেও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর তা বাতিল করেছিল। বর্তমান সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ বছর পর দিবসটি আবারও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হতে যাচ্ছে।
