জাতীয় সংসদের চিফ হুইপকে নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার ও ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে গ্রেপ্তার কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এ এম হাসান নাসিমের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার (১৮ এপ্রিল) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে আদালত আগামীকাল রবিবার তার জামিন শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে শেরেবাংলা নগর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ডিবি পুলিশ নাসিমকে গ্রেপ্তার করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনার নেপথ্যের কুশীলবদের শনাক্ত করতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে রিমান্ড নাকচ করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১১ এপ্রিল বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিকে নিয়ে ফেসবুকে একটি বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট করেন নাসিম। সেখানে তিনি দাবি করেন যে চিফ হুইপ তিনটি তিমি মাছ নিয়ে এসেছেন এবং আরও হাঙর আসছে। এই ধরনের অদ্ভুত ক্যাপশন ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে যে, নাসিম ও তার সহযোগীরা চিফ হুইপের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে বিভিন্ন স্ক্রিনশট পাঠিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছিলেন। এই ঘটনায় চিফ হুইপের এক কর্মী বাদী হয়ে গুলশান থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশ বর্তমানে এই ঘটনার সাথে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে।
