ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রোববার উত্তর বাড্ডা এলাকা থেকে সুদীপ চক্রবর্তীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলে আদালতকে জানানো হয়। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনও করা হতে পারে।
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে দাবি করেন যে, সুদীপ চক্রবর্তী একজন স্বনামধন্য শিক্ষক এবং এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো যোগসূত্র নেই। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের জোরালো বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর উত্তর বাড্ডার নিজ বাসা থেকে শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চিরকুটে সুদীপ স্যারকে টাকা দেওয়ার বিষয় এবং তাঁকে উদ্দেশ্য করে কিছু কথা লেখা ছিল। এই চিরকুটের সূত্র ধরেই নিহতের পরিবার আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
