ইনস্টাগ্রামে এখন ভারতীয় জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের কাছে সবথেকে আলোচিত নাম ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে এই সংগঠনটির অনুসারীর সংখ্যা ভারতের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বিজেপি এবং কংগ্রেসকেও ছাপিয়ে গেছে। সময়ের সাথে সাথে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংগঠনটির জনপ্রিয়তা কেবল বাড়ছেই, যা দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক অনন্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সংগঠনটি মূলত ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদ থেকে জন্ম নিয়েছে। আদালতে শুনানির সময় তিনি বেকার যুবকদের একাংশকে ‘তেলাপোকা’ ও ‘পরজীবী’র সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে এবং সেই ক্ষোভ থেকেই এই ব্যাঙ্গাত্মক দলটির প্রতিষ্ঠা করেন অভিজিৎ দীপক।
প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক পুনে থেকে সাংবাদিকতায় পড়াশোনা শেষে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে জনসংযোগ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছেন। তার আগে তিনি ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছেন এবং দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে মিম-নির্ভর প্রচারণায় তার বিশেষ ভূমিকা ছিল বলে জানা যায়।
‘অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর’—এই স্লোগান নিয়ে পথে নামা সিজেপির মূল দাবি হলো, তারা দেশের সেই সব তরুণদের প্রতিনিধিত্ব করছে, যাদের কথা রাষ্ট্রীয় সিস্টেমে গুরুত্বই পায় না। কোনো ধরনের প্রথাগত রাজনৈতিক কাঠামোর বাইরে গিয়ে তারা মূলত তরুণদের হতাশা ও ক্ষোভকে সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরার মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।
