যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার (১৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের এই ইতিবাচক অবস্থানের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
परराष्ट्र মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে যেকোনো আন্তর্জাতিক উত্তেজনা প্রশমন এবং সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। এই ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পন্নে অবদানকারী সব পক্ষ এবং মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টার উচ্চ প্রশংসা করেছে ঢাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ আশা করে যে এই শান্তি চুক্তিটি উভয় পক্ষই সরল বিশ্বাসে ও পুরোপুরি বাস্তবায়ন করবে এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের বুকে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই চুক্তি হিসেবে টিকে থাকবে।
বাংলাদেশ মনে করে, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকা অপরিহার্য। যেকোনো অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে বাংলাদেশ সবসময় সংলাপ ও কূটনীতির পক্ষেই অবস্থান নেয়।
এই চুক্তির ফলে খুব দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক শান্তি ফিরে আসবে, বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য ও সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেইন) স্বাভাবিক হবে এবং চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট থেকে দ্রুত পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
