২০২৫ সালের মে মাসে সংঘটিত ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানের J-10CE যুদ্ধবিমান বিমানযুদ্ধের ক্ষেত্রে নতুন নজির স্থাপন করে। সে সময় যুদ্ধবিমানটি প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূর থেকেই ভারতীয় যুদ্ধবিমান সফলভাবে শনাক্ত, অনুসরণ ও হামলা চালাতে সক্ষম হয়।
অভিযানের সময় J-10CE যুদ্ধবিমানগুলো নিজেদের আধুনিক KLJ-7A অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (AESA) রাডার ব্যবহার করেছিল। ফলে শত্রুপক্ষের লক্ষ্য শনাক্ত ও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য তাদের আকাশে থাকা আগাম সতর্কীকরণ বিমান (AWACS) কিংবা অন্য কোনো বাইরের যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হয়নি।
এই আধুনিক রাডারে গ্যালিয়াম নাইট্রাইড (GaN) প্রযুক্তি এবং বিশেষ সিগন্যাল ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করা হয়েছে, যা শত্রুপক্ষের রাডারে সহজে ধরা পড়ে না। এর ফলে ভারতীয় বহরে থাকা রাফালে, মিগ-২৯ এবং সু-৩০ যুদ্ধবিমানগুলো পাকিস্তানি J-10CE-এর রাডারে লক হওয়ার বিষয়টি আগে থেকে টের পেতে ব্যর্থ হয়।
ভারতীয় যুদ্ধবিমানগুলো কোনো প্রকার আগাম বিপদসংকেত পাওয়ার আগেই পাকিস্তানের J-10CE থেকে ছোড়া পিএল-১৫ (PL-15) দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তাদের লক্ষ্যবস্তুর দিকে ধেয়ে যায়। আকস্মিক এই হামলায় ভারতীয় বিমানবাহিনী কোনো কার্যকর প্রতিরক্ষা কৌশল নেওয়ার সুযোগ পায়নি।
মার্কিন ও ফরাসি গোয়েন্দা সূত্র এবং কর্মকর্তারা পরবর্তীতে নিশ্চিত করেন যে, পাকিস্তানি J-10 যুদ্ধবিমানের হামলায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর অন্তত একটি অত্যাধুনিক রাফালে এবং আরও একটি যুদ্ধবিমান সরাসরি ভূপাতিত হয়েছে।
