রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর কেউ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। ফলে তফসিল অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্যদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। বৃহস্পতিবার এই দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়। সময়সীমা শেষ হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, দুই প্রার্থীর কেউই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। এ সময় তিনি ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।
আখতার আহমেদ বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে। মঙ্গলবারই ব্যালট পেপার প্রস্তুত করা হবে। ভোটের দিন শুরুতে নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করবেন।
তিনি জানান, ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে—একটি মুড়ি অংশ এবং অন্যটি মূল ব্যালট অংশ। মুড়ি অংশে থাকবে ক্রমিক নম্বর, সংসদ সদস্যের নাম ও বিভক্তি নম্বর। সংসদ সদস্যরা পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ব্যালট গ্রহণ করবেন।
মূল ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার ক্রমানুসারে থাকবে। নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে সংসদ সদস্যরা স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন। এরপর ব্যালট নির্ধারিত বাক্সে জমা দিতে হবে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।
ইসি সচিব জানান, ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল ৫টার পর ব্যালট গণনা করা হবে। ব্যালট পেপারের রং হবে সাদার ওপর কালো প্রিন্ট।
সংরক্ষিত নারী আসনসহ জাতীয় সংসদে মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০। বিএনপির আসলাম চৌধুরীর সংসদ সদস্যপদ আদালত বাতিল করায় এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।
ভোটগ্রহণ শেষে সংসদ কক্ষেই ভোট গণনা করা হবে। এরপর নির্বাচনী কর্তা সেখানে ফলাফল ঘোষণা করবেন। পরে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।
