ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির হয়ে সংসদ সদস্য প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশায় সক্রিয় ছিলেন আসাদুল ইসলাম মুকুল। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ঢাকা-১৯ (সাভার) আসনে গিয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন তিনি। তার দলবদল ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।
মঙ্গলবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এনসিপির সাবেক এই নেতা। এর আগে ধামরাইয়ে এনসিপির প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশায় মাঠে সক্রিয় ছিলেন তিনি এবং দলটির মনোনয়ন ফরমও সংগ্রহ করেছিলেন।
এনসিপি ঢাকা-২০ আসনে মুকুলকে মনোনয়ন না দিয়ে ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদকে প্রার্থী ঘোষণা করে। এরপরই দল ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মনোনয়নকেন্দ্রিক রাজনীতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অনেকের মতে, দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ার পর অন্য দলে যোগ দেওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক আদর্শের চেয়ে ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত দেয়। তবে মুকুলের দলবদলকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন এনসিপির স্থানীয় নেতারা।
এনসিপির ঢাকা জেলা উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক ফয়সাল খান বলেন, আসাদুল ইসলাম মুকুলের বিএনপিতে যোগ দেওয়া তার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। তার দাবি, এনসিপিতে মুকুলের এমন উল্লেখযোগ্য সাংগঠনিক অবদান ছিল না যে তার দলত্যাগে দল দুর্বল হয়ে পড়বে।
বিএনপিতে যোগদানের কারণ জানতে চাইলে আসাদুল ইসলাম মুকুল বলেন, এনসিপি ছাড়ার পেছনে বিশেষ কোনো কারণ নেই। বিএনপির সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় তিনি দলটিতে যোগ দিয়েছেন।
বিএনপিতে কোনো পদ পেয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগে কাজ করবেন, পরে দল তার কাজের মূল্যায়ন করবে। ধামরাই তার নিজ এলাকা উল্লেখ করে মুকুল বলেন, বিএনপি সুযোগ দিলে তিনি ধামরাইয়ের মানুষের জন্য কাজ করবেন। একই সঙ্গে এনসিপির নেতাদের জন্য শুভকামনাও জানান তিনি।
