নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বুধবারের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। কাঠমান্ডু পোস্টের বরাতে নেপাল পুলিশ এই প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে দেশটির ক্ষতিগ্রস্ত ৮টি জেলা থেকে নতুন করে বেশ কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সংশোধিত প্রাণহানির এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে।
উদ্ধার হওয়া মরদেহের জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে—চিতওয়ানে ১২১, নওয়ালপরাসিতে (পূর্ব) ৭৪, ধাদিঙয়ে ২৯, গোর্খায় ২৯, নুয়াকোটে ২৮, তানাহুনে ১৯, রাসুয়ায় ১৭ এবং নওয়ালপরাসিতে (পশ্চিম) ১৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভয়াবহ এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে বন্যা দুর্গত জেলাগুলোতে নেপাল পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান জোরালোভাবে চলছে।
দুর্ঘটনাকবলিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে সাধারণ বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বন্যার পানি রাসুয়াসহ অন্যান্য এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পাহাড়ি নদী ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর ভাটিতে ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে লোকালয়, ঘরবাড়ি, সংযোগ সড়ক ও সেতুসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।
এদিকে রয়টার্স আরও জানিয়েছে, তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপাল অংশের দুর্গম ও পর্যটন এলাকায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০০ জন বিদেশি পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের খোঁজেও জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।
