ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব ও পদ-পদবি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের সংসদ সদস্য ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম নয়নের বিরুদ্ধে। এমনকি নির্বাচনি হলফনামায় জাল শিক্ষাগত সনদ ও মিথ্যা তথ্য দাখিলের অভিযোগে তাঁর সংসদ সদস্য পদ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন (নম্বর ১২৩৮৩/২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।
হাইকোর্টের বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিটটির শুনানি ‘নট টু ডে’ (আজ নয়) রেখে পরবর্তী সময়ের জন্য ঝুলিয়ে রেখেছেন। ভোলা-৪ আসনের ভোটার আবদুল্লাহ আল মাহমুদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাফসান আলভী রিটটি দায়ের করেন।
রিটের অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামায় নুরুল ইসলাম নয়ন সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে ইবাইস ইউনিভার্সিটির ২০০৮ সালের এমবিএ সনদ যুক্ত করেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা সনদটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও জাল বলে নিশ্চিত করেছে। এছাড়া ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘এমএ’ দেখালেও এবার দেখিয়েছেন ‘এমবিএ’।
রিট আবেদনকারী আরও দাবি করেন, নয়ন নিজেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও জিয়াউর রহমান হলের ১৯৮৯-৯০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র দাবি করে ছাত্রদলের ঢাবি শাখা ও কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিভিন্ন পদ লাভ করলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি ঢাবির ছাত্র ছিলেন না। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ৯১এফ ধারা অনুযায়ী হলফনামায় ভুল ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় নয়নের সংসদ সদস্য পদ বাতিলের আর্জি জানানো হয়েছে রিটে।
