বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে দাবি করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর একটি ছিল সরাসরি দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য এবং অন্যটি ছিল ব্রিকস সম্মেলনে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে অংশ নেওয়ার জন্য।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই ব্যাখ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ঢাকায় এসে তারেক রহমানকে স্ত্রী-সন্তানসহ ভারত সফরের জন্য প্রথম দ্বিপক্ষীয় আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।
পরবর্তীতে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনের জন্য তাঁকে দ্বিতীয় আমন্ত্রণটি পাঠানো হয়। ভারত স্পষ্ট করেছে যে, বাংলাদেশ ব্রিকসের সরাসরি সদস্য বা অংশীদার দেশ না হলেও, বিমসটেকের বর্তমান চেয়ার হিসেবে তারেক রহমানকে এই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
ভারতের এই বক্তব্যটি এসেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর। গত ১০ সেপ্টেম্বর তিনি দাবি করেছিলেন, তারেক রহমানকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে নয়, বরং কেবল বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্বতন্ত্র আমন্ত্রণ না থাকলে ভারতের সফরে যাওয়া সম্ভব নয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য পৃথক আমন্ত্রণ আগে থেকেই কার্যকর রয়েছে।
