সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন আব্দুল কাইয়ুম। তবে পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ায় শেষ পর্যন্ত নিয়োগপত্র পাননি তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র জারির আদেশ দেওয়া হলেও প্রকাশিত তালিকায় তার নাম পাওয়া যায়নি। বিষয়টি জানার পর হতাশা প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন আব্দুল কাইয়ুম।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘একটা দুঃস্বপ্নের রাত। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ট্রমা মনে হয় আজকে পেলাম। যোগ্যতা দিয়ে জীবনের প্রথম জব পেয়েও ভেরিফিকেশনে বাদ পড়লাম।’
তিনি আরও লেখেন, ‘কী কারণে বাদ পড়লাম, কিছুই জানি না। আমি রাষ্ট্রের কাছে এটার জবাবদিহিতা চাই। এই রাষ্ট্র আমাদের তরুণদের আর কত ট্রমা দেবে?’
আব্দুল কাইয়ুম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তার বাড়ি ফেনী জেলায়।
এদিকে, আব্দুল কাইয়ুমের মতো আরও ২৭ জেলার পাঁচ শতাধিক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তাদের বাদ দেওয়ার কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশনের ভূমিকা ও বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠেছে।
