বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার রুহুল আমিন ভূঁইয়ার প্রতি অতীতে চালানো অবমাননাকর আচরণ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শুধু জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলেই তাকে চোর-ডাকাতদের মতো দড়ি বেঁধে আদালতে তোলা হয়েছিল। অথচ তখন সমাজের কোনো অংশ থেকে প্রতিবাদ বা নিন্দা শোনা যায়নি।
সমালোচকরা বলছেন, আজ যখন দখলবাজ ও হত্যা মামলার আসামি হিসেবে চিহ্নিত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বিষয়ে কথা উঠছে, তখন অনেক সুশীল সমাজের প্রতিনিধি অতিমাত্রায় সরব হয়ে উঠছেন। তারা অভিযোগ করেন, “মুক্তিযোদ্ধা” ট্যাগ ব্যবহার করে আওয়ামী গণহত্যাকারীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ঘটনা বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বিচার ও মানবাধিকারের দ্বৈত মানদণ্ডের নগ্ন উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।







