মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও জিম্মিদের মুক্তি চূড়ান্ত করতে ২০ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, হামাস সম্মত হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জীবিত ও মৃত সকল জিম্মি মুক্তি পাবে। পাশাপাশি গাজার নিয়ন্ত্রণ ধাপে ধাপে ত্যাগ করে সেখানে অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন হবে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও আরব দেশগুলোর প্রতিনিধিরা থাকবেন। প্রস্তাবে হামাসের সম্পূর্ণ অস্ত্র সমর্পণের শর্তও রাখা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রস্তাব মূলত ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক চাপ থেকে রক্ষার কূটনৈতিক কৌশল। তারা মনে করছেন, পরিকল্পনার মাধ্যমে ইসরায়েলকে সম্মানজনকভাবে যুদ্ধ থেকে বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এদিকে হামাসের সিনিয়র নেতা মাহমুদ মারদাউই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, ট্রাম্পের পরিকল্পনা তাদের কাছে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পৌঁছায়নি এবং কোনো ফিলিস্তিনি দলের সঙ্গেও আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, প্রস্তাবের বিষয়বস্তু ইসরায়েলের দৃষ্টিভঙ্গির কাছাকাছি, যা ফিলিস্তিনি আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে। মারদাউই আরও বলেন, “প্রস্তাবটি অস্পষ্ট ও অনিশ্চিত। এটি আন্তর্জাতিক নীতি ও ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র স্বীকৃতি নষ্ট করার প্রচেষ্টা। আমরা কোনো প্রস্তাবই গ্রহণ করব না, যাতে আমাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও গণহত্যা থেকে বাঁচার বাস্তব পথ অন্তর্ভুক্ত না থাকে।”
অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইতিমধ্যেই ট্রাম্পের প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছেন। ফলে এখন দৃষ্টি বিশ্বরাজনীতিতে—হামাস কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় এবং আগামীর সিদ্ধান্ত কোন পথে যাবে।







