পাহাড়ি এলাকার গোপন সন্ত্রাসী ঘাঁটিসহ নজরদারি বাড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গতকাল থেকে বায়রাকতার টিবি-২ ইউসিএভ (UCAV) ড্রোন মোতায়েন শুরু করেছে। সামরিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ড্রোন বসানো হলে পাহাড়ের দুর্গম এবং গোপন স্থানগুলো থেকে রিয়েল-টাইম তথ্য সংগ্রহ করা তুলনামূলকভাবে সহজ হবে এবং তল্লাশি-অভিযান পরিকল্পনা করা যাবে।

নিরাপত্তা সূত্র ও বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, কেবল ড্রোন নজরদারিই যথেষ্ট নয়; পাহাড়ে অন্তত কয়েকশ’ স্থায়ী সেনা চৌকি স্থাপন করে ভৌগোলিক কনট্রোল বাড়ানো প্রয়োজন। কিছু বিশ্লেষকের দাবি, নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রস্তাবিত ২৫০–৩৫০টি সেনা ক্যাম্প এবং মাউন্টেন ডিভিশন/ব্রিগেড গঠনের মতো ব্যবস্থা কার্যকরী হতে পারে — তবে এ ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কূটনৈতিক, প্রশাসনিক ও মানবাধিকারগত বিবেচনাও জরুরি হবে।

এক এখানকার নাম প্রকাশ না করার শর্তে মন্তব্যকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, “পাহাড়ি সংঘর্ষের অন্যতম কারণ হলো সন্ত্রাসীদের গভীরবাসস্থান ও লোকাল নেটওয়ার্ক; দ্রুত নেভিগেশনযোগ্য নজরদারি ও নিয়মিত স্থায়ী উপস্থিতিই কার্যকরতা বাড়ায়।”
প্রয়োগাধীন ড্রোন ও ভবিষ্যত চৌকি স্থাপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সেনা ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি; প্রতিক্রিয়া পেলে যুক্ত করা হবে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, পুরো প্রক্রিয়ায় স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রা ও মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের এবং নিরাপত্তা বাহিনীর অতীব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।







