বরিশাল-৫ সদর আসনের দুর্গাপূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থেকে প্রশংসা কুড়িয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। পূজা চলাকালে তার নিরলস উপস্থিতি, আর্থিক সহায়তা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ উদ্যোগে শুধু সনাতন সম্প্রদায় নয়, স্থানীয় রাজনৈতিক ও সচেতন মহলেও তিনি প্রশংসিত হয়েছেন।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকেই পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করে সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন রহমাতুল্লাহ। এরপর পূজার প্রথম দিন থেকে শেষদিন পর্যন্ত তিনি বরিশাল সদর ও সিটি করপোরেশনের প্রতিটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আর্থিক অনুদান নিয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়ান তিনি।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের স্থানীয় নেতারা জানান, রহমাতুল্লাহর এই আন্তরিকতা ও সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল “ব্যতিক্রমী ও অনন্য”।
বরিশাল সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র দেবনাথ বলেন,
“আমরা শতভাগ সন্তুষ্ট। তিনি প্রতিটি মণ্ডপে এসেছেন, খোঁজ নিয়েছেন, সহায়তা দিয়েছেন — যা অন্যদের থেকে আলাদা।”
বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল সাহা বলেন,
“রহমাতুল্লাহ ভাই নিজ হাতে ফুল নিয়ে প্রতিটি মন্দিরে গেছেন। তিনি সত্যিকার অর্থে তুলনাহীন।”
বরিশাল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কুডু মুখার্জি বলেন,
“দুর্গাপূজার সময় তিনি এসে উৎসাহ-উদ্দীপনা দিয়েছেন এবং সহায়তা করেছেন। এতে আমরা সত্যিই আনন্দিত।”
এ প্রসঙ্গে আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন,
“সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উৎসবে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমি কাজ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি— বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদে থাকে, তাদের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত হয়।”
তিনি আরও বলেন,
“যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চায়, তারা দেশ ও জনগণের শত্রু। পূজাকে ঘিরে কেউ যেন অপতৎপরতা চালাতে না পারে, সে জন্য সবার সজাগ থাকা জরুরি।”
স্থানীয়দের মতে, এবারের পূজায় আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহর কার্যক্রম রাজনৈতিক সৌজন্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।







