গতকাল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান-এর সঙ্গে খেলাফত মজলিসের আমির, মহাসচিব ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ইসলামপন্থি দলগুলোর ঐক্য ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।
বৈঠকে অংশ নেওয়া খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি আলী হাসান উসামা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, আলোচনায় ইসলামপন্থি দলের ঐক্যবদ্ধ নির্বাচনী কৌশল ছিল সবচেয়ে প্রাধান্যপ্রাপ্ত বিষয়। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ইসলামপন্থি নেতা ও বক্তার বিতর্কিত বক্তব্য নিয়েও জামায়াত আমিরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।
মুফতি উসামা লিখেছেন,
> “এশার নামাজের সময় হলে আমিরে জামায়াত আমাকে ইমামতি করার নির্দেশ দেন। নামাজ ও নৈশভোজ শেষে বিদায়ের সময় মুয়ানাকা করে বললেন— ‘তোমার প্রতি আমার আলাদা মহব্বত ও মনোযোগ আছে। তোমার মতো তরুণরা ময়দানে এগিয়ে এলে ও নেতৃত্ব দিলে দেশ ও সমাজ বদলে যাবে।’”
তিনি আরও উল্লেখ করেন,
> “আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল, তখন আমি কোনো সংগঠন করতাম না। আজ এক বছর পর একই দিনে আবার দেখা হলো—কিন্তু তাঁর আচরণে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন দেখিনি। তিনি অত্যন্ত নম্র, উদার ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতা।”
মুফতি উসামা মন্তব্য করেন,
> “যদি তাঁর নম্রতা ও উদারতার মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক ইসলামী ঐক্য গড়ে ওঠে, তাহলে তিনি দেশের ইতিহাসেও একজন অমর ও আইকনিক নেতা হিসেবে থেকে যাবেন।”
শেষে তিনি জানান, খাবারের সময় জামায়াতের আরবি নাম নিয়ে প্রশ্ন করলে জামায়াত আমির স্বীকার করেন,
> “এটা ভুল হয়েছে, খুব শিগগিরই এই নামলিপি সংশোধন করা হবে।”
বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় রবিবার (৫ অক্টোবর) রাতে, এবং এটি ইসলামপন্থি দলগুলোর পারস্পরিক সংলাপ ও ঐক্যচেষ্টার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।







