বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্বে অন্তর্বর্তী সরকার, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, দল পরিচালনার অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। সাক্ষাৎকারটি মঙ্গলবার সকাল ৯টায় প্রকাশিত হয়।
সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে আমি প্রবাসে রয়েছি। সময়, দূরত্ব ও যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা—এই সবকিছু মিলিয়ে এটি একটি কঠিন কাজ। বিশেষ করে পরিবার—স্ত্রী ও সন্তানের সহযোগিতা না থাকলে এ দায়িত্ব পালন আরও কঠিন হতো। তাঁদের সহায়তায় আমি এটা সম্ভব করতে পেরেছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি কৃতজ্ঞ দলের হাজারো-লক্ষো নেতাকর্মীর প্রতি, যারা সব প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও আমাকে সমর্থন দিয়ে গেছেন, দলকে সংগঠিত রেখেছেন এবং রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন।”
নেতৃত্বের ধরনে কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না—এমন প্রশ্নে তারেক রহমান জানান, প্রবাস জীবনে তিনি নতুন অনেক কিছু দেখেছেন, শিখেছেন। যুক্তরাজ্যে বসবাসের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি উপলব্ধি করেছেন, দেশের জন্য ভালো কিছু করার সুযোগ পেলে তা কাজে লাগাতে চান। “ভালো কিছু শিখে যদি আমি সুযোগ পাই, তাহলে সেটিকে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে চাই,” বলেন তিনি।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ে বিএনপির অবস্থান নিয়েও এ পর্বে কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে দায়িত্বশীল ও পারস্পরিক স্বার্থে ভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তোলাই হবে বিএনপির কৌশল।
