দেশজুড়ে প্রকাশিত হয়েছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল। এ বছর গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ কম। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে ইংরেজি বিষয়ে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে একযোগে এই ফল প্রকাশ করা হয়। রাজধানীর বকশিবাজারে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কার্যালয়ে বিস্তারিত ফল তুলে ধরা হয়।
তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বোর্ডে পাসের হার সর্বাধিক ৬৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। এরপর বরিশাল বোর্ডে ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৫০ দশমিক ২০ শতাংশ এবং কুমিল্লা বোর্ডে সর্বনিম্ন ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ পাসের হার রেকর্ড হয়েছে।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৬২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঢাকায় সর্বাধিক ২৬ হাজার ৬৩ জন। রাজশাহী বোর্ডে ১০ হাজার ১৩৭ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ৬ হাজার ২৬০ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৬ হাজার ৯৭ জন, যশোর বোর্ডে ৫ হাজার ৯৯৫ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ২ হাজার ৬৮৪ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ২ হাজার ৭০৭ জন, বরিশাল বোর্ডে ১ হাজার ৬৭৪ জন এবং সিলেট বোর্ডে ১ হাজার ৬০২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
মাদরাসা বোর্ডে ৪ হাজার ২৬৮ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ হাজার ৬১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
দেশজুড়ে শতভাগ পাস করেছে ৩৪৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অন্যদিকে ২০২টি প্রতিষ্ঠানে একজনও পাস করতে পারেনি।
এবারও মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে। ছেলেদের তুলনায় ৫৯ হাজার ২৩২ জন বেশি ছাত্রী পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৯৯১ জন বেশি।
শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, ২০০৫ সালের পর এ বছরই সবচেয়ে কম পাসের হার রেকর্ড হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করলেও প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি।
এ বছরও ফলাফল তৈরি করা হয়েছে ‘বাস্তব মূল্যায়ন’ নীতির ভিত্তিতে।







