ভেনেজুয়েলা ঘোষণা দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণ করলে সরকার গেরিলা প্রতিরক্ষা কৌশল গ্রহণ করবে। কর্তৃপক্ষ বলেছে, এতে ছোট ছোট ইউনিট ছড়িয়ে দিয়ে অনুপ্রবেশকারী বাহিনীর সরবরাহলাইন ও লজিস্টিক লক্ষ্য করে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালানো হবে এবং রাজধানীসহ বড় শহরগুলিতে অরাজকতা সৃষ্টি করে অঞ্চলগুলো পরিচালনা অযোগ্য করে তোলা হবে।
সরকারি ও সামরিক সূত্র বলছে, গেরিলা কৌশলের পরিকল্পনায় আক্রমণাত্মক সরাসরি যুদ্ধ না করে আক্রমণকারীর কার্যক্রম ধীরগতি করা, জড়তা সৃষ্টি করা এবং তাদের লজিস্টিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত করাই মূল উদ্দেশ্য। পরিকল্পনায় থাকে পারস্পরিক তৎপরতা, বিদ্রোহী-ধাঁচের আক্রমণ, লক্ষণীয় সময়ে হামলা ও দ্রুত পিছু হটানোর কৌশল।
সূত্রগুলো আরও জানায়, ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনী সম্প্রতি পর্যাপ্ত আধুনিক সরঞ্জাম হারিয়েছে এবং বহুলাংশে পুরনো যন্ত্রপাতির ওপর নির্ভরশীল। একই সঙ্গে সৈন্যদের বেতন ও উৎসাহও তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় প্রচলিত সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতায় সীমাবদ্ধতা আছে—এই বাস্তবতাকেই মাথায় রেখে গেরিলা কৌশলকে বিকল্প প্রতিরোধ পদ্ধতি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
পূর্বপ্রসঙ্গ হিসেবে কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরাও ইঙ্গিত করছেন, সীমিত শক্তি ও সরঞ্জামের পরিপ্রেক্ষিতে অনানুষ্ঠানিক ও ছায়াপথে পরিচালিত প্রতিরোধ বিদ্বেষী বাহিনীর বিরুদ্ধে কার্যকর হতে পারে। গেরিলা পদ্ধতি প্রয়োগে দেশে ব্যাপক জনসাধারণের অংশগ্রহণ, স্থানীয় তাত্ক্ষণিক সহায়তা ও গোপনীয়তা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে পরিকল্পনাকারীরা মনে করছে।







