জামায়াতে ইসলামী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী চূড়ান্ত করার কাজ শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। এক বছর আগে সব আসনে প্রাথমিক প্রার্থী ঘোষণা করলেও এবার চূড়ান্ত তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। এতে হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, পেশাজীবী, নারী এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রনেতৃত্ব থেকে নির্বাচিত তরুণদের জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দলটি জানিয়েছে, নির্বাচন তফসিল ঘোষণার আগেই—অর্থাৎ ডিসেম্বরের প্রথম দিকেই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। আন্দোলনরত আট দলের সঙ্গে আসন–সমঝোতার ভিত্তিতেই শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, প্রাথমিক তালিকার সঙ্গে চূড়ান্ত তালিকার পার্থক্য থাকবে। প্রয়োজনীয় জায়গায় পরিবর্তন আনা হবে।
বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, এ নির্বাচনে জামায়াত চমক দেখাতে চায়। তরুণ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি দলের বাইরে থাকা প্রভাবশালী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদেরও অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তারা দাঁড়িপাল্লা বা জোটগত অন্য প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবেন।
আসন্ন নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা ও মাঠপর্যায়ের সমর্থন বিশ্লেষণ করে সরকার গঠনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে জামায়াত। ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে আসন–সমঝোতা, প্রার্থী বৈচিত্র্য এবং সংগঠনের মাঠকাজকে তারা অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে।
সোমবার রাজধানীতে দলীয় এক অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আসন্ন নির্বাচন দেশ ও জাতির জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট। সারাদেশে দলীয় প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে সর্বশক্তি নিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।







