সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, একই ব্যক্তি দল ও সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করলে তা স্বৈরশাসনের পথ তৈরি করে। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে দৈনিক বণিক বার্তার উদ্যোগে আয়োজিত ব্যবসা, বিনিয়োগ ও সমষ্টিক অর্থনীতি বিষয়ক সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি যখন একই সঙ্গে দল ও সরকারের সর্বোচ্চ ক্ষমতার পদে থাকেন, তখন স্বৈরাচারী প্রবণতা সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে কমপক্ষে এই একটি কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তাঁর মতে, একাধিক ক্ষমতার স্থান দখলে রাখলে যে কেউ ফ্যাসিবাদী আচরণে ঝুঁকে যেতে পারে এবং অতীতে শেখ হাসিনার মতো আরও স্বৈরশাসকের উদ্ভব ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্যতম বড় বাধা হলো অস্বচ্ছ নির্বাচনী পরিবেশ। এটিকে স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন করতে না পারলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে না। পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনে যে দুর্বৃত্তায়ন তৈরি হয়েছে, সেটিও দূর করা জরুরি। তাঁর মতে, নির্বাচনে ‘টাকার খেলা’ বন্ধ করতে হবে, প্রার্থীদের হলফনামায় বিস্তারিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং সেগুলোর যথাযথ যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবও পর্যালোচনার আওতায় আনতে হবে। কোনো অপরাধীকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাখা যাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, বিনিয়োগে বড় বাধা হলো লাল ফিতার দৌরাত্ম্য ও প্রশাসনিক জটিলতা। তিনি বলেন, হয়রানি, ঘুষ ও চাঁদাবাজি কমাতে পারলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ আরও সহজ ও গতিশীল হবে।







