সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের ওপর বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনায় নীরব থাকলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (চরমোনাই) একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে ডেইলি স্টারের সংবাদ প্রকাশ নিয়ে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন, সম্পূর্ণ একপাক্ষিক এবং তথ্য-প্রমাণহীন একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এই কভারেজ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর শতাধিক নারী কর্মী বিএনপির নেতাকর্মীদের দ্বারা হামলা ও নিপীড়নের শিকার হলেও মূলধারার গণমাধ্যম হিসেবে পরিচিত ডেইলি স্টার এ বিষয়ে কোনো সংবাদ প্রচার করেনি। অথচ আজ চরমোনাই পীরের দলের পক্ষ থেকে আনা একটি অভিযোগকে তারা গুরুত্বের সাথে প্রকাশ করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত চরমোনাই অনুসারীদের মাধ্যমেই হয়েছিল এবং পরবর্তীকালে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এখানে কোনো নারীর ওপর হামলার প্রমাণ পাওয়া না গেলেও চরমোনাই পন্থীরা একে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কাঙ্ক্ষিত আসন না পাওয়ায় ১১ দলীয় জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর থেকেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পরিকল্পিতভাবে জামায়াত জোটের পেছনে লেগেছে। জামায়াত আমীরকে বিভিন্ন সময়ে চরমোনাইপন্থীদের ব্যাপারে ইতিবাচক ও নমনীয় মন্তব্য করতে দেখা গেলেও, চরমোনাইয়ের পক্ষ থেকে ক্রমাগত বৈরী আচরণ ও মিথ্যাচারের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
অনেকেই দাবি করছেন, এটি চরমোনাইয়ের পুরনো কৌশলেরই অংশ। এর আগে বার্ষিক মাহফিলগুলোতেও নিজেদের কর্মীদের ‘জামায়াত-শিবির’ সাজিয়ে দল ত্যাগের নাটক মঞ্চস্থ করার মতো ‘ওপেন সিক্রেট’ কর্মকাণ্ড তারা করেছে। এবার ডেইলি স্টারকে ব্যবহার করে জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের মাধ্যমে তারা নতুন করে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।







