বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর নেতা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. এসএএ শাফীর একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ওই পোস্টে তিনি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো তথাকথিত ‘গুপ্ত বাহিনী’ মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হল দখলের উসকানি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
একই পোস্টে ডা. শাফী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ও ছাত্রশিবির নেতা সাদিক কায়েমকে নিয়ে চরম আপত্তিকর ও উগ্র মন্তব্য করেছেন। তিনি সাদিক কায়েমকে শারীরিক নির্যাতনের (ক্যাসট্রেশন) হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি তাকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা হয়েও এ ধরনের অশালীন ও সহিংস বক্তব্যের কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সচেতন মহল ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, নির্বাচনের পর ক্যাম্পাস ও হলগুলোর স্থিতিশীলতা নষ্ট করার লক্ষ্যে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে একজন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হয়ে সরাসরি রাজনৈতিক উসকানি ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করাকে সরকারি চাকরির বিধিমালা এবং পেশাদারিত্বের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।
ব্যাপক সমালোচনার মুখে ডা. শাফী তার বিতর্কিত পোস্টটি বর্তমানে ‘প্রাইভেসি’ পরিবর্তন করে সবার কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছেন বলে জানা গেছে। তবে এর মধ্যেই পোস্টটির স্ক্রিনশট বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।







