দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে করা আপিলের পূর্ণাঙ্গ শুনানি নির্বাচন শেষে অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ বিষয়ে শুনানিতে ‘নট টু ডে’ বলে আদেশ দেন।
শুনানিতে নাহিদ ইসলামের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা। অন্যদিকে ড. এম এ কাইয়ুমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান।
আইনজীবীরা জানান, ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে নাহিদ ইসলামের করা আবেদনের শুনানি নির্বাচনের পর হবে।
এর আগে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
একইদিন কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন আদালত। ফলে তার নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা রইল না। এছাড়া বগুড়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের প্রার্থিতা নিয়ে করা লিভ টু আপিলের ক্ষেত্রেও নির্বাচনের পর পূর্ণাঙ্গ শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী তিনিও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।







