ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ও প্রাপ্ত ভোটের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ইসির জনসংযোগ শাখা থেকে জানানো হয়, এবারের নির্বাচনে বিএনপি ৪৯.৯৭ শতাংশ ভোট পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট।
নির্বাচনে দলগতভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩.০৫ শতাংশ ভোট। এ ছাড়া সাতটি আসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষে রায় দিয়েছেন ৫.৭৯ শতাংশ ভোটার। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মোট ভোটের ২.৭০ শতাংশ পেয়ে একটি আসনে জয় নিশ্চিত করেছে এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ পেয়েছে ২.০৯ শতাংশ ভোট।

বিপর্যস্ত অবস্থা লক্ষ্য করা গেছে সংসদের সাবেক প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রে। লাঙ্গল প্রতীকে ১৯৯টি আসনে প্রার্থী দিলেও দলটি পেয়েছে মাত্র ০.৮৯ শতাংশ ভোট। অন্যান্য ছোট দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে রয়েছে। এবারের নির্বাচনে ভোটারদের মেরুকরণ মূলত বড় জোটগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২১২টি আসন পাওয়া বিএনপি জোট এখন সরকার গঠনের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় রয়েছে। বিপরীতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়ে শক্তিশালী বিরোধী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষে শুক্রবার রাতেই বিজয়ী প্রার্থীদের গেজেট প্রকাশ করা হয়।
আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এরপর একই দিন বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভাকে শপথ পাঠ করাবেন।







