বগুড়ায় তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের নেতা এবং আসন্ন বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী রেজওয়ান হাসান জেমসকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়েছে। গত রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজন মহানগরীর সূত্রাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
গ্রেফতারকৃত জেমস সূত্রাপুর এলাকার মো. শাহ আলমের ছেলে এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী। সোমবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মহানগরীর খান্দার মিশন হাসপাতালের সামনে জেমসের মালিকানাধীন একটি ভ্যারাইটিজ স্টোর রয়েছে। ওই দোকানে ময়েন উদ্দিন মোল্লা (৫৮) নামের এক ব্যক্তি কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন। গত রবিবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুটি ওই দোকানে মালামাল কিনতে যায়।
সে সময় আশেপাশে কেউ না থাকার সুযোগে দোকান কর্মচারী ময়েন উদ্দিন শিশুটিকে টানাহেঁচড়া করে দোকানের ভেতরে নিয়ে শাটার বন্ধ করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে সেখানে গিয়ে শাটার খুললে আসামি ময়েন উদ্দিন পালিয়ে যায় এবং শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সময় ২ নম্বর আসামি জেমস উপস্থিত না থাকলেও, ১ নম্বর আসামি ময়েন উদ্দিনকে পালাতে সহযোগিতা করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা জেমসকে আটক করে পুলিশে দেয়। পরবর্তীতে শিশুটির মা বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় ময়েন উদ্দিন ও জেমসের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
বগুড়া সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাহফুজ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ১ নম্বর আসামিকে পালাতে সহযোগিতার অভিযোগে ২ নম্বর আসামি জেমসকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার প্রধান আসামি ময়েন উদ্দিনকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।







