ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক অবস্থানের ইঙ্গিত দিলেন মোজতবা খামেনি। সোমবার (৯ মার্চ) তার নেতৃত্বের অধীনেই প্রথম দফায় ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতিতে এক নতুন মোড় নিয়ে এসেছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নিক্ষিপ্ত এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোতে নতুন নেতার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে বিশেষ স্লোগান লেখা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এবং বিবিসির লাইভ আপডেট অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রের গায়ে ফারসি ভাষায় লেখা ছিল— “লাব্বাইক সাইয়্যেদ মোজতবা” (আপনার সেবায় প্রস্তুত, সাইয়্যেদ মোজতবা)।
বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই এই আক্রমণাত্মক অবস্থান প্রমাণ করে যে, তেহরান তাদের সামরিক কৌশলে আরও কঠোর হতে যাচ্ছে। আইআরজিসি একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ছবিও প্রকাশ করেছে, যেখানে সরাসরি মোজতবা খামেনির নাম উল্লেখ করে এই যুদ্ধের সংকল্প জাহির করা হয়েছে।
এদিকে, ইরানের এই নতুন নেতৃত্ব এবং হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত রহস্যজনকভাবে নীরব রয়েছেন। টাইমস অব ইসরায়েলের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানিয়েছে, ট্রাম্প এই নিয়োগ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এবং কেবল বলেছেন, “দেখা যাক কী হয়।”
ইরানের সঙ্গে চলমান এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুদ্ধ অবসানের সিদ্ধান্তটি হবে একটি ‘পারস্পরিক’ বিষয়। তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে সঠিক সময়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান। ট্রাম্পের এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, আমেরিকা বর্তমানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ইসরায়েলের সাথে সমন্বয় করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।







