তারেক রহমান–এর সক্রিয় উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতে নতুন নেতৃত্ব আনার প্রক্রিয়া জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের পুনর্গঠনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, ঈদুল আজহার আগে কিংবা পরে নতুন কমিটি ঘোষণা হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ থাকা বিভিন্ন কমিটির কারণে সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল। এ অবস্থায় ত্যাগী, যোগ্য ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় তরুণ নেতাদের সামনে আনার পরিকল্পনা করছে দলীয় হাইকমান্ড।
সূত্রগুলো আরও জানায়, গত এপ্রিল থেকেই অঙ্গ সংগঠনগুলো পুনর্গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ চলছে। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা এবং রাজনৈতিক ত্যাগকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দলীয় নীতিনির্ধারকদের মতে, শুধু সিনিয়রিটির ভিত্তিতে নয়, বিগত সময়ে রাজনৈতিক মামলা, আন্দোলনে অংশগ্রহণ এবং সাংগঠনিক অবদানের বিষয়গুলোও বিবেচনায় রাখা হবে। ফলে সাবেক ছাত্রনেতাদের একটি বড় অংশ এখন নেতৃত্বের আলোচনায় উঠে এসেছেন।
আগামী ৯ মে ঢাকায় যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সাংগঠনিক ইউনিটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তারেক রহমান। এ বৈঠকের পর নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা বলছেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনগুলোতে গতি ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করাই এখন মূল লক্ষ্য।







