শুক্রবার, জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
No Result
View All Result
হোম আন্তর্জাতিক

ফ্যাসিবাদ ও দায়মুক্তি : ভারত-ইসরাইল সম্পর্ক

আজাদ ঈসা

তুহিন সিরাজী - তুহিন সিরাজী
জুলাই ১৪, ২০২৫
A A
ফ্যাসিবাদ ও দায়মুক্তি : ভারত-ইসরাইল সম্পর্ক
Share on FacebookShare on Twitter

এই সপ্তাহের শুরুর দিকে ইসরাইল সরকার জানায়, ভারতের সঙ্গে তারা একটি ইনভেস্টমেন্ট প্রোটেকশন অ্যাগ্রিমেন্ট (আইপিএ) বা বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি চূড়ান্ত করে এনেছে। দেশ দুটির এই উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে নিজেদের অনুসৃত ফ্যাসিবাদী নীতিকে আরো জোরদার করা এবং তাদের সংঘটিত সব ধরনের অপকর্মের অভিযোগ থেকে পরস্পরকে দায়মুক্তি দেওয়া। ইহুদি বর্ণবাদী ও উগ্র হিন্দুত্ববাদী নীতির অনুসরণ করা এই দেশ দুটি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল বিশেষজ্ঞরা এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

পরস্পরের ভূখণ্ডে নিজেদের বিনিয়োগের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে দেশ দুটি। বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মী মিডল ইস্ট আইকে জানিয়েছেন, বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের আস্থা একেবারেই তলানিতে নেমে এসেছে। তাদের আস্থা বৃদ্ধি এবং গাজায় ইসরাইলের গণহত্যাকে একই সঙ্গে সমর্থন ও আড়াল দিতেই এই চুক্তি করছে দেশ দুটি।

বোস্টনে অবস্থানরত ভারতীয় বংশোদ্ভূত একজন আমেরিকান সংগঠক নাম প্রকাশ না করার শর্তে মিডল ইস্ট আইকে বলেছেন, ‘বিনিয়োগ সম্পর্কের আড়ালে ভারত ও ইসরাইল তাদের অবৈধ এবং বৈষম্যমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য পরস্পরকে দায়মুক্তি দিতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই চুক্তির মাধ্যমে দুদেশই তাদের ফ্যাসিবাদী আদর্শ থেকে আরো বেশি উপকৃত হবে। এটি ভীতিকর একটি বিষয়।’

ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ মঙ্গলবার ভারতের সঙ্গে তার দেশের এই আইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়ে বলেন, অর্থমন্ত্রী হিসেবে ভারতের সঙ্গে ইসরাইলের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোই হবে তার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। স্মোট্রিচ ভারতকে ‘ইসরাইলের সত্যিকারের বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভারতের দিক থেকেও ইসরাইলের প্রতি একই ধরনের মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটবে।

আরওপড়ুন

তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি

পরমাণু চুক্তিতে ট্রাম্পের আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান ইরানের

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ফিলিস্তিনি লেখক ও শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ মোয়াসওয়েস মিডল ইস্ট আইকে বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার তার দেশের ভোটারদের কাছে ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ভারতের জন্য একটি কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখাতে চায়। এ জন্য তারা দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ককে ব্যবহার করছে। কারণ ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী চেতনায় উজ্জীবিত ভোটাররা ইসরাইলের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে খুবই পছন্দ করে। নরেন্দ্র মোদির সরকার এই শ্রেণির ভোটারদের সেন্টিমেন্টকে দেশের প্রতিটি নির্বাচনে ব্যবহার করে থাকে।

আবদুল্লাহ মোয়াসওয়েস বলেন, ইহুদিবাদের সঙ্গে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির উগ্র হিন্দুত্ববাদী চেতনার একটি মিল আছে বলেই দলটির সমর্থকরা ইসরাইলকে বরাবরই সমর্থন দিয়ে আসছে। নরেন্দ্র মোদির সরকার মনে করে, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের গণহত্যার সমালোচনা করার পরিবর্তে দেশটির প্রতি সমর্থন বরং লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনে বিজেপিকে বেশি আসন পেতে সহায়তা করবে।

মোদির শাসনামলে ভারত ক্রমেই একটি কট্টর হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। বর্তমানে দেশটিতে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর হিন্দুত্ববাদীদের আধিপত্য দিন দিনই বাড়ছে। বিশেষ করে মুসলমান ও খ্রিষ্টানদের ওপর উগ্র হিন্দুদের নির্যাতন-নিপীড়নের মাত্রা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। ফলে মুসলমান ও খ্রিষ্টানরা নিজেদের ভারতের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন।

অন্যদিকে, দেশটির সিভিল সোসাইটির বড় অংশই এখন এলোমেলো হয়ে পড়েছে। তারা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক বিষয়ে এখন আর আগের মতো কার্যকর ভূমিকা রাখতে রাখতে পারছেন না। এ ছাড়া মিডিয়া জগতের যারা সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের কার্যকলাপের সমালোচনা করছেন, তারাও বারবার আক্রমণের শিকারে পরিণত হচ্ছেন।

দিল্লিভিত্তিক সংগঠন ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স অব পিপলস মুভমেন্টের (এনএপিএম) আহ্বায়ক মীরা সংঘমিত্র ইসরাইলের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সমালোচনা করে মিডল ইস্ট আইকে বলেন, এই ঘনিষ্ঠতা খুবই ‘লজ্জাজনক’। এ প্রসঙ্গে তিনি গত মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির জাতিসংঘ সমর্থিত একটি প্রস্তাবে ভোটদানে ভারতের বিরত থাকার সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেন।

মীরা সংঘমিত্র বলেন, ‘গণহত্যাকারী একটি দেশ ও জাতির সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক অবশ্যই তিরস্কারযোগ্য। ইসরাইলের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি না করে বরং গাজায় যুদ্ধাপরাধের জন্য নেতানিয়াহুকে অভিযুক্ত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগ দিতে আমরা মোদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।’

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানো ও অব্যাহতভাবে হামলা চালানোর কারণে ইসরাইলের অর্থনীতির অবস্থা বর্তমানে খুবই শোচনীয়। ২০২৪ সালে ইসরাইলের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি মাত্র শূন্য দশমিক ৯ হলেও দেশটি চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রতিরক্ষা খাতে তার ব্যয় আগের বছরের চেয়ে ২১ শতাংশ বাড়িয়েছে। সামরিক খাতে সরকারের ব্যয় অব্যাহতভাবে বাড়ায় বিনিয়োগকারীরাও শঙ্কিত। এ ছাড়া ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে হাইফা বন্দরে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শিপিং কোম্পানি মারস্কের পণ্যবাহী জাহাজের আগমন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইসরাইলের অর্থনীতি আরো হোঁচট খেয়েছে। এটি ইসরাইলের লজিস্টিক ও সাপ্লাই চেইন সেক্টরের জন্য একটি বড় ধাক্কা।

হাইফা বন্দরের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করে ভারতের আদানি পোর্টস অ্যান্ড ইকোনমিক জোন লি.। এই প্রতিষ্ঠানটি বৃহত্তর ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকোনমিক করিডোরের অংশ। ইসরাইল এবং ভারত দুই দেশের কাছেই এর কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম।

ভারত বিগত কয়েক দশক ধরেই বিশ্ব মঞ্চে নিজেকে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করে এসেছে। আবার একই সঙ্গে ১৯৬০-এর দশক থেকেই গোপনে ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্ক তৈরি করে দেশটি থেকে সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম আমদানি করছে নিয়মিতই। এই সামরিক সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আসার পর ১৯৯২ সালে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয় ভারত।

বর্তমানে ভারত ইসরাইলের ষষ্ঠ বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। ডায়মন্ডের ব্যবসা ছাড়াই দুই দেশের মধ্যে বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। ভারত ইসরাইলের অস্ত্রের বৃহত্তম আমদানিকারী দেশ। ইসরাইলের প্রতিরক্ষা শিল্পকে টিকিয়ে রাখার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী দেশ হচ্ছে ভারত। দেশটি সাত বছর ধরে ইসরাইলের সঙ্গে যৌথভাবে অস্ত্র উৎপাদন করে আসছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ফিলিস্তিনি লেখক ও শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ মোয়াসওয়েস মিডল ইস্ট আইকে বলেন, ইসরাইলের প্রতি ভারতের অব্যাহত সমর্থনের অন্যতম কারণ হচ্ছে দেশটি ইসরাইলের মতোই অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুগ যুগ ধরে নিপীড়নমূলক নীতি অনুসরণ করে আসছে। এই নীতি এখন ভারতের সর্বত্রই মুসলমানদের ওপর প্রয়োগ করা হচ্ছে। এখন ভারতে ইসরাইলি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ককে আরো জোরদার করা হচ্ছে।

গাজার যুদ্ধে ইসরাইলকে কমব্যাট ড্রোন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক যুদ্ধের সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তা করেছে ভারত। এই তথ্য সামনে আসার পর গত দুই বছর ধরে ভারতের মানবাধিকার কর্মীরা ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানালেও তাতে কান দিচ্ছে না নরেন্দ্র মোদির সরকার। উল্টো ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক দিন দিনই গভীর করছে মোদির সরকার। হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার পর ইসরাইলের নির্মাণসহ বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করা ফিলিস্তিনিদের বের করে দেয় নেতানিয়াহুর সরকার।

সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে ভারতের শ্রমিকদের ইসরাইলে পাঠানো হচ্ছে। শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা মোদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শ্রমিকদের না পাঠানোর জন্য। কিন্তু তারপরও শত শত শ্রমিককে পাঠানো হচ্ছে। ভারতের ‘জাতীয় স্বার্থে’ই ইসরাইলের সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি করা হয়েছে বলে দাবি মোদি সরকারের। গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরাইলি বাণিজ্যমন্ত্রী নীর বারকাতের নেতৃত্বে দেশটির উচ্চপর্যায়ের একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদল ভারত আসে।

তবে গাজায় গণহত্যাকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা বিশ্বের সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসরাইলবিরোধী মনোভাব চাঙা হয়ে উঠেছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে লাখ লাখ মানুষ ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। এসব দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানগুলো বয়কট করার ডাক দেন। এরপর থেকেই ইসরাইলের বিভিন্ন থিংক ট্যাংক পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক কমিয়ে পূর্বমুখী হওয়ার জন্য নেতানিয়াহুর সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। এতে সাড়া দিয়ে ইসরাইলি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়। ভারতে যারা ইসরাইলবিরোধী অবস্থান নিয়েছেন, তাদের ওপর চালানো হয়েছে দমন-পীড়ন। গত মাসে দিল্লিতে ছাত্রদের ইসরাইলবিরোধী বিক্ষোভে হামলা চালিয়ে সেটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

গত মে মাসে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধের সময় ইসরাইলের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টি ভালোভাবেই সামনে চলে আসে। এ সময় ভারত ইসরাইলের কাছে কমব্যাট ড্রোন পাঠিয়ে সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছিল। ইসরাইলের অস্ত্রবাণিজ্যের অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে ভারত এটা স্পষ্ট করে দিয়েছে, ভারতের পররাষ্ট্রনীতি এখন বিশ্বের সামরিক শিল্প কমপ্লেক্সের স্বার্থ এর সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

লেখক : জোহানেসবার্গভিত্তিক সাংবাদিক ও গ্রন্থকার

সম্পর্কিত খবর

তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি
আন্তর্জাতিক

তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
পরমাণু চুক্তিতে ট্রাম্পের আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান ইরানের
আন্তর্জাতিক

পরমাণু চুক্তিতে ট্রাম্পের আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান ইরানের

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
আন্তর্জাতিক

ড্রোনের ঝাঁক রুখতে তুরস্কের বৈপ্লবিক অস্ত্র ‘এজদারহা’, যুক্ত হচ্ছে স্টিল ডোমে

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

সপ্তাহের সেরা

  • আনন্দবাজারের প্রতিবেদন: ভারতকে যেসব মুচলেকা দিয়ে দেশে এসেছেন তারেক রহমান

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ধানের শীষ স্লোগান দিয়ে নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীর ওপর হামলা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ডাকসু থেকে পদত্যাগের ঘোষণা সর্বমিত্র চাকমার

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ভারত থেকে ৮ ট্রাকে ১২৫ টন বিস্ফোরক ঢুকলো দেশে

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন মোড়, ডাক পেতে পারে বাংলাদেশ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

নিখোঁজের ৩ দিন পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আমরা বদ্ধপরিকর: নওগাঁর জনসভায় তারেক রহমান

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

জুলাই গণহত্যার আসামি দুই পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি: বিশাল অংকের আর্থিক লেনদেন!

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: [email protected]

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০