ইরানের পাল্টা হামলায় সৌদি আরবের একটি বিমান ঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর ৫টি রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফট বা জ্বালানি ভরার বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ শুক্রবার (১৩ মার্চ) অনামা মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত ৫টি বিমান পুরোপুরি ধ্বংস না হলেও সেগুলোর বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে ওই বিমানগুলোর মেরামতকাজ চলছে। তবে এই হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে তেহরান বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এই হামলাটি চালানো হয়েছে। তবে এটি ক্ষেপণাস্ত্র নাকি ড্রোন হামলা ছিল, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেয়নি সংবাদমাধ্যমটি।
চলমান উত্তেজনায় এখন পর্যন্ত বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে ইরানের হামলার প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। সৌদি আরবে হামলার খবর তুলনামূলক কম আসলেও ৫টি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাটি বড় ধরনের সামরিক বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে শুক্রবারই ইরাকে একটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান ভূপাতিত হয়ে ৬ মার্কিন ক্রুর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছিল সেন্টকম।
হামলার শিকার হওয়া বিমানগুলো কোন ঘাঁটিতে ছিল এবং ঠিক কবে হামলাটি হয়েছে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তবে যুদ্ধের শুরু থেকেই কুয়েত ও ইরাকে মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনার পর সৌদি আরবের এই ক্ষয়ক্ষতি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর জন্য নতুন করে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।







