মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সাতটি দেশ সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ। গত ২০ দিনে ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে মোট ৬১৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) নতুন করে আরও ২৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজ-এর ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়া-এর ৬টি, গালফ এয়ার-এর ২টি, কাতার এয়ারওয়েজ-এর ৪টি, এমিরেটস-এর ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজ-এর ৪টি এবং ফ্লাই দুবাই-এর ৪টি ফ্লাইট রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আকাশসীমা ব্যবহার বন্ধ থাকায় এসব এয়ারলাইনস তাদের ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত রেখেছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সংকটের শুরু, যেদিন প্রথম ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়। এরপর ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এরপর থেকে প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০টি ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। ১০ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ২৬টির বেশি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে, ফলে মোট বাতিলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১৪টিতে।
জানা গেছে, ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান পুরোপুরি বা আংশিকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ রেখেছে। এসব দেশ বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মীদের প্রধান গন্তব্য হওয়ায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে।
বিশেষ করে দুবাই, কাতার ও কুয়েতগামী যাত্রীদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। অনেক যাত্রী বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে ফিরে যাচ্ছেন, যা প্রবাসী কর্মীদের কর্মস্থলে যোগদানে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।







