তুরস্ক বা ওমানকে লক্ষ্য করে ইরান কোনো হামলা চালায়নি বলে জোরালো দাবি করেছেন দেশটির নবনির্বাচিত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মুজতবা খামেনি। শুক্রবার (২০ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি করেন। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে তেহরানের সুসম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে তিনি এই অঞ্চলের শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
মুজতবা খামেনি তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন যে, পূর্বাঞ্চলের প্রতিবেশীদের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বিশেষ করে পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশটি তার পিতা এবং সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অত্যন্ত প্রিয় ছিল। তিনি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
চলমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে তুরস্ক ও ওমানের কিছু অংশে হামলার যে অভিযোগ উঠেছে, তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন মুজতবা খামেনি। তিনি দাবি করেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বা তাদের কোনো প্রতিরোধ ফ্রন্ট এই হামলার সঙ্গে জড়িত নয়। বরং ইরান ও তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিভেদ তৈরির উদ্দেশ্যে ইসরায়েল এই ধরনের ‘চাল’ চালছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আঞ্চলিক কূটনীতিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে মুজতবা খামেনি প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যই বর্তমান সংকট মোকাবিলা করার একমাত্র পথ।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতে পিতার উত্তরসূরি হিসেবে মুজতবা খামেনি নির্বাচিত হলেও এখন পর্যন্ত তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। এমনকি তার নতুন কোনো ভিডিও বা ছবিও প্রকাশিত হয়নি। এখন পর্যন্ত ইরানি গণমাধ্যমে তার পক্ষ থেকে আসা কেবল কয়েকটি লিখিত বার্তাই জনমনে কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।







