নিউ ইয়র্ক টাইমসের (NYT) এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরান সরকারের পতন ঘটানোর লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেওয়া কৌশলগুলো এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। ওয়াশিংটন এবং তেল আবিব আশা করেছিল যে, তাদের উপর্যুপরি হামলার ফলে ইরানে একটি গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি হবে এবং খুব দ্রুত বর্তমান সরকারের পতন ঘটবে, কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছুই ঘটেনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আগে থেকেই এই ধরনের কৌশলের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেছিলেন। ইরানি জনগণের মধ্যে সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভ উসকে দেওয়ার যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা মাঠপর্যায়ে কোনো বড় পরিবর্তন আনতে পারেনি।
বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে কুর্দি বাহিনীকে ব্যবহার করার মতো আরও কিছু পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোও বাদ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন নীতিনির্ধারকরা এখন বুঝতে পারছেন যে, বাইরের চাপ বা বিচ্ছিন্ন বাহিনীর মাধ্যমে তেহরানের শাসনব্যবস্থায় বড় কোনো পরিবর্তন আনা সম্ভব হচ্ছে না।
বর্তমানে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পর্যালোচনায় এটিই প্রতীয়মান হচ্ছে যে, ইরানের বর্তমান সরকার বা শাসনকাঠামো ক্ষমতা ধরে রাখতেই সক্ষম হবে। আপাতত নিকট ভবিষ্যতে দেশটিতে কোনো বড় ধরনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তারা দেখছেন না।
এই পরিস্থিতি ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ তারা বিপুল সামরিক ও কৌশলগত চাপ প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে এখন নতুন করে ভাবছে পশ্চিমা শক্তিগুলো।







