রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে অকটেনের সংকট দেখা দিয়েছে। রেশনিং পদ্ধতি তুলে নেওয়া হলেও পেট্রল ও অকটেনের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও মালিকরা এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরেও অকটেন পাচ্ছেন না। ফলে তেল সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের। তবে ডিজেল ও পেট্রলের তেমন সংকটের খবর পাওয়া যায়নি।
মোহাম্মদপুর, আসাদ গেট, বিজয় সরণি, পরীবাগ, মতিঝিল, রাজারবাগ, মগবাজার, নিউমার্কেট, গাবতলী ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এই সংকট লক্ষ্য করা গেছে।
ঈদের ছুটি শেষে কর্মজীবী মানুষ রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন। আগামী মঙ্গলবার থেকে সরকারি অফিস-আদালত খুলবে। এমন সময়ে অকটেন সংকট তৈরি হওয়ায় অফিসগামী মানুষদের দুর্ভোগ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, দেশে অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ রয়েছে। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, বিক্রির তুলনায় ডিপোগুলো থেকে তারা প্রয়োজনীয় অকটেন পাচ্ছেন না। ঈদের ছুটির সময় (২১ ও ২২ মার্চ) ডিপো বন্ধ থাকা এবং অন্য সময়ের তুলনায় বেশি বিক্রির কারণে সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, দেশে অকটেনের কোনো ঘাটতি নেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ পরিমাণ অকটেন সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া আগামী ২ এপ্রিল ২৫ হাজার টন অকটেনবাহী একটি কার্গো দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সিআরইউ প্লান্টগুলোতেও উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, জ্বালানির ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো সময় দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, বর্তমানে সরবরাহকৃত তেল দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।







