ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু চাঞ্চল্যকর মন্তব্য এবং পদক্ষেপ বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এএফপি ও সিএনবিসি-র বরাত দিয়ে জানা গেছে, ট্রাম্প দাবি করেছেন ইরানে ইতিমধ্যেই ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটে গেছে। তবে এই পরিবর্তন কোনো সামরিক অভ্যুত্থান নয়, বরং তার মতে পুরাতন মানসিকতার বদলে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের নেতৃত্বের আবির্ভাবই এই পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে যে, তবে কি তিনি তার দীর্ঘদিনের লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন? যদি ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী লক্ষ্য অর্জিত হয়ে থাকে, তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের দামামা অচিরেই বন্ধ হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রাম্প নিজেও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সবকিছু এখন খুব ইতিবাচকভাবেই এগোচ্ছে।
ফক্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সাথে আগামী পাঁচ দিন নিবিড় আলোচনা চলবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে আলোচনার গতিপ্রকৃতি দেখে ধারণা করা হচ্ছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই দুই পক্ষ একটি বড় ধরনের চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। এই কূটনৈতিক তৎপরতা সফল হলে দীর্ঘদিনের বৈরিতার অবসান ঘটতে পারে।
এদিকে, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে এক অভাবনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন ট্রাম্প। ইসরায়েলি আর্মি রেডিওর তথ্যমতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা ইরানের জ্বালানি বা তেল স্থাপনাগুলোতে কোনো ধরনের হামলা না চালায়। তেলের বিশ্ববাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং সংঘাত এড়াতে ট্রাম্পের এই অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সামগ্রিকভাবে, ট্রাম্পের এই ‘রেজিম চেঞ্জ’ তত্ত্ব এবং আলোচনার টেবিলে বসার সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়, আগামী কয়েক দিনের আলোচনায় তেহরান ও ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত কোন সমঝোতায় পৌঁছায়।







