খুলনার কয়রায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী ফজলু গাজীকে (৬৬) শ্বাসরোধ ও অণ্ডকোষ চেপে ধরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার দ্বিতীয় স্ত্রী খুকুমনির বিরুদ্ধে। সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের জোড়শিং গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্ত্রী পলাতক রয়েছেন।
নিহত ফজলু গাজী জোড়শিং গ্রামের মৃত ফকির গাজীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি পাশের আংটিহারা গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা খুকুনিকে বিয়ে করেছিলেন। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে স্ত্রী খুকুমনি স্বামীর শ্বাসরোধ করেন এবং স্পর্শকাতর স্থানে (অণ্ডকোষ) সজোরে চেপে ধরেন। এতে ঘটনাস্থলেই ফজলু গাজী নিস্তেজ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা একজন গ্রাম্য চিকিৎসককে ডেকে আনলে তিনি তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত খুকুমনি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। তিনি আংটিহারা গ্রামের মৃত শামসুর গাজীর মেয়ে বলে জানা গেছে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধার করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
কয়রা থানার ওসি (তদন্ত) মো. শাহ আলম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অভিযুক্ত খুকুনিকে আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।







