দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তার মতে, বর্তমানে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ডিজেল, ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন অকটেন এবং ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন পেট্রোল মজুত রয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত।
জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র জানান, পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও কিছু অসাধু চক্র তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। অবৈধ মজুতবিরোধী অভিযানে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৯৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৪৪টি মামলা দায়ের এবং ৪৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বাজার অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বছর তেল ডিপোগুলো থেকে যে পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছিল, এ বছরও সমপরিমাণ সরবরাহ বজায় রাখা হয়েছে। যদি কোনো ডিপো থেকে জ্বালানি না পাওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। বিশেষ করে জেট ফুয়েলের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় বিমান চলাচলেও কোনো বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
জ্বালানি বণ্টন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই নির্দিষ্ট যানবাহনের জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে এই কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়া কিছুটা জটিল হওয়ায় প্রাথমিক পর্যায়ে সব গাড়ির জন্য এটি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। ধীরে ধীরে দেশের সব যানবাহনকে এই কার্ডের আওতায় এনে জ্বালানি তদারকি ব্যবস্থা আরও আধুনিক করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।







