হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ৩০টিরও বেশি স্পিড বোটকে মহড়া দিতে দেখা গেছে। এতে দেশটির নৌ সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের নৌবাহিনীকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ ও গোয়েন্দা মূল্যায়ন সেই দাবির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করা হচ্ছে।
মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতের পরও ইরানের উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে। এতে বলা হয়, যুদ্ধবিরতির সময় দেশটির প্রায় অর্ধেক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও লঞ্চ সিস্টেম অক্ষত ছিল।
এছাড়া আইআরজিসির নৌবাহিনীর প্রায় ৬০ শতাংশ সক্ষমতা এখনো টিকে আছে, যার মধ্যে দ্রুতগতির আক্রমণ নৌকাও রয়েছে। যদিও নিয়মিত নৌবাহিনী কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়েছে, ছোট আকারের নৌ শক্তি এখনও আংশিকভাবে সক্রিয় রয়েছে।
মূল্যায়নে আরও বলা হয়েছে, ইরানের বিমান শক্তি কিছুটা দুর্বল হলেও দেশটির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বিমানবাহিনী এখনো কার্যকর রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এসব তথ্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান এখনো উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছে, যা ভবিষ্যতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও কূটনৈতিক আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে।







