জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম–এর খতিব মুফতি আব্দুল মালেক বলেছেন, সারা বিশ্বে একই দিনে ঈদ উদযাপনের পক্ষে যারা মত দেন, তাদের অবস্থান ধর্মীয় ও বৈজ্ঞানিক বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তন–এ আয়োজিত ‘রোজা ও ঈদ বিশ্বব্যাপী একই দিনে পালনের দাবির ভ্রান্তি নিরসন ও শরিয়াহ বিশ্লেষণ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কোনো অঞ্চলে চাঁদ দেখা নিশ্চিত হওয়ার পরও অন্য অঞ্চলের চাঁদের অপেক্ষায় ঈদ উদযাপন বিলম্বিত করা ইসলামী শরিয়তের পরিপন্থি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এ ধরনের মতবাদ জ্যোতির্বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও গ্রহণযোগ্য নয়।
দাওয়াতুস সুন্নাহ বাংলাদেশ–এর উদ্যোগে আয়োজিত এ সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, চাঁদ পর্যবেক্ষণ পরিষদ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মুফতি ইসমাইল সিরাজী, আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন–এর চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ গোলাম রব্বানী, তেজগাঁও পলিটেকনিক মসজিদের খতিব মাওলানা আবুল বাশার মো. সাইফুল ইসলাম, জমঈয়তে আহলে হাদিসের সভাপতি ড. অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফারুক, ফুরফুরা মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা মো. নোমান, লালবাগ মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, পটিয়া মাদ্রাসার প্রধান মুফতি শামসুদ্দিন জিয়া এবং বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. এস এম লুৎফুল কবির।
বক্তারা বলেন, সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে চলা মুসলমানদের দায়িত্ব। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম মুফতি মাহমুদুল হাসান।
দাওয়াতুস সুন্নাহ বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা জুবায়ের বিন আব্দুল কুদ্দুসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জাতীয় মসজিদের খতিব একটি বিস্তারিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং নাগরিকদের উদ্দেশে ১০ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেন।







